শনিবার

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১ আশ্বিন, ১৪৩৩

পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজ আগামী বছরের জানুয়ারি-মার্চে উদ্বোধন: পানিসম্পদমন্ত্রী

মোঃ হামজা শেখ, রাজবাড়ী

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৪৭

শেয়ার

পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজ আগামী বছরের  জানুয়ারি-মার্চে উদ্বোধন: পানিসম্পদমন্ত্রী
ছবি: বাংলা এডিশন

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে পদ্মা নদীর ওপর প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ নিয়ে সময়সূচি জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্পটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে পদ্না ব্যারেজ নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে দেশীয় অর্থায়ন ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জিওপি প্রকল্প থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে ব্যারেজটির নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরো বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। পদ্মা ব্যারেজকে তিনি একটি মেগা প্রকল্প হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি বাস্তবায়িত হলে ২৪টি জেলার কৃষি ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনাও তৈরি হবে।

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নতুন নয়। ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে এ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য একনেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, পাংশার হাবাসপুর পয়েন্টে পদ্মা নদীর প্রায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার অংশজুড়ে ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩৩ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত ব্যারেজে ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডার স্লুইস, দুটি ফিশ পাস ও একটি নেভিগেশন লক রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৯০ কোটি ঘনমিটার পানি সংরক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে।