রবিবার

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৫ আশ্বিন, ১৪৩৩

বেনাপোল বন্দরে মালামাল লোপাটের অভিযোগে সহকারী পরিচালক কাজী রতন বরখাস্ত

বেনাপোল,প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৫

শেয়ার

বেনাপোল বন্দরে মালামাল লোপাটের অভিযোগে সহকারী পরিচালক কাজী রতন বরখাস্ত
ছবি: সংগৃহীত

বেনাপোল স্থলবন্দরে কাস্টম কর্তৃক ঘোষণা বহির্ভূত আটকৃত পন্য সিলগালা করা শেড থেকে প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের আমদানি পণ্য গায়েব ও পণ্য পরিবর্তন কাজে সহায়তা করার ঘটনায় বন্দরের সাবেক সহকারী পরিচালক কাজী রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আদেশে বলা হয়েছে- কাজী রতন বেনাপোল স্থলবন্দরের সার্কেল-২ এর সহকারী পরিচালক হিসেবে (শেড নং ১৫ , ১৯, ৩৬, ৩৭, ৩৯ , ৪২)এর দায়িত্বে ছিলেন। গত ১২ মার্চ ভারত থেকে একটি পন্যচালান আসে। বেনাপোল কাস্টমস কাস্টমস কর্মকর্তারা পন্যচালানটি কায়িক পরীক্ষার সময় ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য থাকায় পন্যচালানটি জব্দ করে শেড নম্বর ৩৭-এ সিলগালা করে রাখে। পরে ওই পণ্য সরিয়ে সেখানে অন্য পণ্য রাখার অভিযোগ ওঠে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের আদেশ অনুযায়ী, ট্রাফিক পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহজালাল চাবির একটি সেট ভারপ্রাপ্ত শেড ইনচার্জ আবুল খায়েরকে না দিয়ে সহকারী পরিচালক কাজী রতনের কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর ৬ জুন রাতে সিলগালা শেডে কতিপয় লোক অবৈধ প্রবেশ এবং ভেতরের পণ্য পরিবর্তন সরানোর ঘটনা ঘটে। ওই সময় শেডের একটি চাবি কাজী রতনের কাছে ছিল।

পরদিন ৭ জুন শেডটির সিলগালা কাটা ও পরিবর্তন করা হয়েছে দেখতে পেলেও কাজী রতন কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে কর্তৃপক্ষের তদন্তে উঠে এসেছে। এ ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে ২৬ জুলাই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। পরে ঘটনার গুরুত্ব ও অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় তাকে দায়িত্বে রাখা সমীচীন নয় বলে মনে করে কর্তৃপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১০ সেপ্টেম্বর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।