শনিবার

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১ আশ্বিন, ১৪৩৩

সীমান্ত নিরাপত্তা ও পর্যটন বিকাশে পার্বত্য অঞ্চলে বিমানবন্দর স্থাপনের জোর দাবি ওয়াদুদ ভূইয়ার

আশরাফুল রনি (স্টাফ রিপোর্টার)খাগড়াছড়ি 

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:১৮

আপডেট: ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:১৮

শেয়ার

সীমান্ত নিরাপত্তা ও পর্যটন বিকাশে পার্বত্য অঞ্চলে বিমানবন্দর স্থাপনের জোর দাবি ওয়াদুদ ভূইয়ার
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে পার্বত্য অঞ্চলে একটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর স্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া ।

তিনি খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির ভৌগোলিক গুরুত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং জরুরি যাতায়াতের সুবিধার্থে এই বিমানবন্দর স্থাপনকে অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করেছেন।

স্পিকারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি এই প্রস্তাব পেশ করেন।

দেশের অন্যতম প্রত্যন্ত অঞ্চল পার্বত্য চট্টগ্রাম। ভৌগোলিক অবস্থান এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার নাজুক দশার কারণে দীর্ঘকাল ধরে এই অঞ্চলের মানুষ যাতায়াত সংকটে ভুগছেন। সড়ক পথে খাগড়াছড়ি কিংবা রাঙ্গামাটি যাতায়াত করতে সময় লেগে যায় প্রায় আট থেকে দশ ঘণ্টা,এমনকি এই অঞ্চলে যাতায়াতের জন্য কোনো রেললাইনও নেই।

সংসদে স ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে একটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি । খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি অঞ্চলে সড়ক পথ ভালো না থাকায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই অঞ্চলের সীমান্ত অনেকটাই অরক্ষিত এবং চাপের মধ্যে থাকে । সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু সশস্ত্র গ্রুপের লোকজন অবৈধ অস্ত্র আনা-নেয়া করে থাকে । এই অবস্থায় পার্বত্য অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ও অশান্তি মোকাবেলা করতে এবং জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের দ্রুত আগমন ও নির্গমনের জন্য বিমান যোগাযোগ প্রয়োজন।

একই সাথে, সাজেক ভ্যালির মতো পর্যটন এলাকার অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতেও বিমানবন্দর স্থাপন করা জরুরি। বর্তমানে পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন গড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক এই অঞ্চলে যাতায়াত করছেন।