মঙ্গলবার

৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

একদিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল, অন্যদিকে ভয়াবহ লোডশেডিং বিপর্যস্ত জয়পুরহাটের মানুষ

আব্দুল হাই,জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৫৪

শেয়ার

একদিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল, অন্যদিকে ভয়াবহ লোডশেডিং বিপর্যস্ত জয়পুরহাটের মানুষ
ছবি: বাংলা এডিশন

জয়পুরহাটে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং এর মাত্রা বেড়েছে অত্যধিক। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকেরা দুর্ভোগে পড়েছেন।ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করায় দৈনন্দিন জীবন ও বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তবে দিনে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও রাতে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েন এজেলার মানুষ।

জয়পুরহাট তেঘর এলাকার স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, জয়পুরহাটের বেশ কিছু এলাকার মতো তেঘর এলাকাতেও বিদ্যুৎ নিয়ে অনেক সমস্যা সকাল আটটার দিকে গেলে ১২ টায় আসে এর মধ্যেও তিন-চার যায়। তবে দিনের থেকে রাতে বেশি সমস্যা দেখা দেয় লোডশেডিংয়ের।

একিই এলাকার গ্রাম্য ডাক্তার বলেন, অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসা যায় না। ছোট বাচ্চাদের বিভিন্ন ঔষধ ফ্রিজে রাখা যায় না। এরকম পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হওয়া দরকার।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নিয়ে জানতে চাইলে জয়েপুরহাট সদর এলাকার জিতেন চন্দ্র নামে এক কৃষক জানান, গোসলের জন্য ছোট একটি মটর ও রাতে কয়েকটি বাতি জ্বালান তিনি। আগের মাসগুলোতে ২০০/২৫০ বিল উঠলেও বর্তমানে তা ৪০০/৫০০ টাকা উঠে। এরকম বিল উঠলে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে।

জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার আবু উমাম মো. মাহবুবুল হক বাংলা এডিশন কে জানান, গত কয়েকদিনের তুলনায় এখন বিদ্যুৎ পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো। এখন পর্যন্ত আমাদের ডিমান্ড চল্লিশ মেগাওয়াট। চল্লিশ মেওয়াটের রীতে। আমরা চল্লিশ মেরওয়াট পেয়েছি। আর গত রাতে ডিমান্ড ছিল হচ্ছে ছেষট্টি মেগাওয়াট। ছেষট্টি মেগাওয়াটের বিপদীতে আমরা পঞ্চাশ থেকে বায়ান্ন মেগাওয়াট পেয়েছি। সে তুলনায় আমি বলব যে বিদ্যুতের অবস্থা ভালো। আমাদের এই সমিতির বেশ কিছু ফিডারে পোর্ট্রি, ফার্ম এবং কোল্ডস্টোরেজ আছে। এই বিবেচনায় আমরা সেখানে মোটামুটি ভালো বিদ্যুৎ দেওয়ার চেষ্টা করছি এবং ধারাবাহিকতা আছে। সরকারি বিষয়ে অন্তরিক যে বিদ্যুতের ঘাটতি যেন না হয়। আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। অচিরেই এ অবস্থার সমাধান হবে। ইনশাআল্লাহ।