বৃহস্পতিবার

৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯ ভাদ্র, ১৪৩৩

বিজয়নগরে র‍্যাবের অভিযান: ১,৯০৫ পিস ইয়াবা ও তিন বোতল এসকাফসহ গ্রেপ্তার এক

মোছাব্বির হাসান সজীব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৯

শেয়ার

বিজয়নগরে র‍্যাবের অভিযান: ১,৯০৫ পিস ইয়াবা ও তিন বোতল এসকাফসহ গ্রেপ্তার এক
ছবি: বাংলা এডিশন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৯০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩ বোতল এসকাফ সিরাপসহ মো. জসিম (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৯।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নের মিরাসানি এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

র‍্যাব-৯-এর সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। র‍্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন।

র‍্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১:০৫ মিনিটের দিকে সিংগারবিল বাজার এলাকায় অবস্থানকালে র‍্যাব সদস্যরা গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন, মিরাসানি এলাকার একটি বাড়িতে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য কেনাবেচার জন্য অবস্থান করছেন।

সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি দল দুপুর ১:১৫ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে একজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে আটক করা হয়।

আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি তার হেফাজতে ইয়াবা ট্যাবলেট ও এসকাফ সিরাপ থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেখানো মতে বসতঘরে থাকা ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার তল্লাশি করে ১০টি কালো রঙের বায়ুরোধক পলি জিপারের প্যাকেট থেকে ১ হাজার ৯০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি খাকি রঙের শপিং ব্যাগ থেকে ৩ বোতল এসকাফ সিরাপ জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি হলেন, মো. জসিম বিজয়নগর উপজেলার মিরাসানি গ্রামের মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জসিম স্বীকার করেছেন যে, তিনি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ও এসকাফ সিরাপ সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার জসিমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাকে এবং জব্দ করা মাদকদ্রব্য বিজয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-৯ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে তাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। মাদক কারবারিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ তৎপরতা ভবিষ্যতেও আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।



আরও পড়ুন: