বুধবার

২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

ঢাবি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের জন্য ট্রাস্ট ফান্ড গঠন, দুই কোটি টাকার অনুদান

আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৬

শেয়ার

ঢাবি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের জন্য ট্রাস্ট ফান্ড গঠন, দুই কোটি টাকার অনুদান
ছবি: বাংলা এডিশন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের লক্ষ্যে ‘এলিট গ্রুপ সিরাজউদ্দিন অ্যান্ড রাবেয়া সিরাজ ট্রাস্ট ফান্ড’ শীর্ষক ২ কোটি টাকার নতুন একটি ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ওই ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের লক্ষ্যে এলিট গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুদানের একটি চেক হস্তান্তর করা হয়। ২ কোটি টাকার অনুদানের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১ কোটি টাকার চেক আজ হস্তান্তর করা হয়। আগামী ৬ মাস পর অবশিষ্ট ১ কোটি টাকা হস্তান্তর করা হবে।

উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন সভাকক্ষে আয়োজিত এই চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ, এলিট গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাহেদুর সিরাজ, পরিচালক শাদান সিরাজ, মো. মামুন-উর-রশীদ, সুরমা চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্টরা।

এই ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় প্রতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের এককালীন বৃত্তি প্রদান করা হবে। আগামী ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া অনুষ্ঠানে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এলিট গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এলিট গ্রুপকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে আর্থিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে উপাচার্য বলেন, এলিট গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেয়া হলে তারা অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগের সুযোগ পাবে এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে বেসরকারি খাতের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এলিট গ্রুপের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে এলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকরা উপকৃত হবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে। তিনি ভবিষ্যতেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে থাকার জন্য এলিট গ্রুপের প্রতি আহ্বান জানান।