দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে দাখিল পরীক্ষায় ১২৫০ নম্বর পেয়েছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের আবু সাঈদ খুদুরী। ভালো ফল করেও উচ্চশিক্ষার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় মেধাবী এই শিক্ষার্থী ও তার পরিবার।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দেওডোবা গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান আবু সাঈদ। ছোট্ট টিনের ঘরে বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস। সংসারের একমাত্র আয় বাবার তিন চাকার ভ্যান চালিয়ে।
অভাবের মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে এ বছর ফলগাছা রুহুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় ১২৫০ নম্বর পেয়েছে সাঈদ। তার স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়ার। তবে আলিমে ভর্তি থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষার ব্যয় কীভাবে বহন করবে, তা নিয়ে শঙ্কায় পরিবারটি।
সাঈদ বলেন, ‘আমি ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চাই। কিন্তু এজন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। ভালো রেজাল্ট করেও খুশি হতে পারছি না। কারণ পরবর্তীতে যে খরচ লাগবে, তা আমার পরিবার দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।’
সাঈদের বাবা রাশিদুল ইসলাম ভ্যান চালিয়ে সংসার চালান। ছেলের সাফল্যে আনন্দিত হলেও উচ্চশিক্ষার খরচের কথা মনে করে দুশ্চিন্তায় তিনি।
রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ওকে পড়াইতে চাই, বড় বিদ্বান বানাতে চাই। কিন্তু আমার একার পক্ষে সম্ভব না। কেউ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে ওর পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারবো।’
প্রতিবেশীরা জানান, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সাঈদ পড়াশোনা চালিয়ে গেছে। এখন সহৃদয় ব্যক্তি ও শিক্ষানুরাগীরা এগিয়ে এলে তার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।
আরও পড়ুন:







