বুধবার

২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

উদ্বোধন হলো ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ২ লেন

সাভার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:০৩

শেয়ার

উদ্বোধন হলো ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ২ লেন
ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে বহুল প্রতিক্ষার অবসান হলো ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প এর ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ২ লেন বিশিষ্ট প্রতিটি ৩.১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ২টি সার্ভিস সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে।

বুধবার সকালে আশুলিয়ার ধউর এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। পরে যানচলাচলের জন্য এক্সপ্রেসওয়ে খুলে দেয়া হয়।

এসময় মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার পরে আজ দেশের দীর্ঘতম উড়াল সড়ক ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ খুলে দেয়া হলো। বর্তমান সরকার ছয় মাসে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ অনেকদুর এগিয়ে নেয়ায় আজ একাংশ খুলে দেয়া সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বছর এর পুরো কাজ শেষ হবে বলেও বলেন তিনি।

এসময় ঢাকা ১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা.দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা ১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সিএমসি প্রেসিডেন্ট কিউ আই ইয়ি (সৎ ছর ণঁব) ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বক্তব্য রাখেন।

এসময় দুই সংসদ সদস্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন হওয়ায় বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানান। প্রকল্প পরিচালক,ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।

তুরাগ নদের পানি প্রবাহ উন্মুক্ত রাখতে আশুলিয়া বাজার থেকে ধউর বেড়িবাঁধ পর্যন্ত বিদ্যমান সড়কটিও থাকছে না। যে কারণে টোল ছাড়াই সার্ভিস লেন ধরে পাড়ি দেয়া যাবে তুরাগ নদ।

প্রতিক্ষিত এই এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন হওয়ায় যানবাহন চালক ও স্থানীয়রা অনেক খুশি।

উল্লেখ্য একনেকে অনুমোদনের ৫ বছর পর রাজধানী অন্যতম ব্যস্ত প্রবেশদ্বার আশুলিয়ায় হয়ে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ২০২২ সালের ১২ নভেম্বরে শুরু হয় ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রাজধানীর দ্বিতীয় ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ। নানা জটিলতায় প্রকল্পটি খুড়িয়ে চলায় ভোগান্তির শেষ ছিল না এ অঞ্চলের মানুষের। শেষমেষ গতি পাওয়ায় জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭২ ভাগ।

দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রায় ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে বর্তমানে প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৭,০৪৫.৬৭ কোটি টাকা।

সংশোধিত প্রকল্পে ড্রেনেজ, ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন ছাড়াও নতুন নকশায় বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন ও বাইপাইলে নির্মাণ করা হবে তৃতীয় তলা দৃষ্টিনন্দন ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ। তুরাগ নদের পানি প্রবাহ নির্বিঘ্ন করতে খুলে দেয়া হয়েছে আজ ২.৭২ কিলোমিটার সেতু।