ঝালকাঠি সদর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১ হাজার ৩৩৭ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় আউশ ধান কর্তন শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের বেরপাশা গ্রামে ব্রি ধান১০৬-এর নমুনা কর্তন করা হয়েছে। উক্ত জাতটির হেক্টর প্রতি প্তহক্র ৪.৭০ টন ফলন পাওয়া গেছে।
উক্ত নমুনা কর্তন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঝালকাঠি’র অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ ইসরাত জাহান মিলি এবং অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) কৃষিবিদ ফাহিমা হক। ঝালকাঠি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আলী আহম্মদ, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার কৃষিবিদ খাদিজা।
ঝালকাঠি সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আলী আহম্মদ বলেন, ব্রি ধান১০৬ এর ফলন আশাব্যঞ্জক হয়েছে। আউশ মৌসুমে এ জাতের আবাদ সম্প্রসারণে কৃষকদের উৎসাহিত করা হবে।
অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ ইসরাত জাহান মিলি বলেন, ব্রি ধান১০৬ আউশ মৌসুমের জন্য সম্ভাবনাময় একটি জাত। নমুনা কর্তনে ভালো ফলন পাওয়া গেছে। কৃষকের কাছে এ জাতটি জনপ্রিয় হবে বলে আশা করছি।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ব্রি ধান১০৬ আউশ মৌসুমের জন্য একটি সম্ভাবনাময় জাত। নমুনা কর্তনে ভালো ফলন পাওয়ায় জাতটি আউশ মৌসুমে কৃষকদের কাছে বেশ পরিচিতি পাবে বলে তাঁরা আশাবাদী।
গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ছত্রকান্দা গ্রামের কৃষক আফজাল খান বলেন, ব্রি ধান১০৬ আবাদ করে তিনি ভালো ফলন পেয়েছেন। ফলন ভালো হওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট। এ জাতের ধান চাষে কৃষকেরা লাভবান হতে পারবেন বলে তিনি আশা করেন।
একই গ্রামের কৃষক মো: ইব্রাহিম বলেন, ফলন ভালো হলে কৃষকদের মধ্যে নতুন জাতের ধান চাষে আগ্রহ বাড়ে। ব্রি ধান১০৬ এর ফলন ভালো হওয়ায় আগামীতে এ জাতের আবাদ বাড়তে পারে।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা আশা করছেন, ফলন ও কৃষকের আগ্রহ বিবেচনায় ব্রি ধান১০৬ আউশ মৌসুমে একটি সম্ভাবনাময় জাত হিসেবে কৃষকের কাছে পরিচিতি পাবে।
আরও পড়ুন:







