মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন কর্মপরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেসরকারি গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান বারসিক পিপলস লেড এগ্রোইকোলজি ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাড্যাপটেন্সান প্রোগ্রামের আয়োজনে করে।
৩০ আগস্ট রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর হল রুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন চালা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মর্জিনা বেগম।
কর্মশায় লক্ষ্য উদ্দেশ্য আলোচনা করেন বারসিক মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বিমল রায়।
বারসিক সহযোগি আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শিমুল কুমার বিশ্বাসের সঞ্চালনায় কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা হাটিপাড়া, ভাড়ারিয়া ও হরিরামপুর উপজেলার চালা ও বলড়া ইউনিয়নের কৃষক প্রতিনিধি, শিক্ষক, মৎস্যজিবী, যুব কৃষি উদ্যোক্তা, সাংবাদিক, ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ ।
আলোচনা সভায় চারটি ইউনিয়নে মতবিনিময় সভার করে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন সমস্যা চিহ্নিত ও করণীয় নির্ধারণ করা হয়। জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যা ও করণীয় তথ্য উপস্থাপন করে বারসিক সহযোগী সমন্বয়কারী সত্যরঞ্জন সাহা।
কর্মশালায় আলোচনা করেন হরিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ তৌহিদুজ্জামান খান, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসাইন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ আয়ুব আলী খাঁন, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার দেওয়ান তোফায়েল হোসেন, চালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল গফ্ফার, হরিরামপুর উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি মাহিদুল ইসলাম মাহি, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি হরিরামপুর উপজেলা শাখার সভাপতি জ. ই. আকাশ, যাত্রাপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক দিলিপ কুমার মন্ডল, কৃষি উদ্যোক্তা হেলেনা বেগম, মৎস্যজিবী সুমন রাজবংশী, কৃষক গবেষক জাহানারা বেগম, কৃষক নাজমা বেগম, বারসিক প্রোগ্রাম অফিসার মুকতার হোসেন , শিরিন আক্তার প্রমুখ।
ওকর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশীয় বীজবৈচিত্র্য সংরক্ষণ বাড়াতে হবে, মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা করার জন্য গোবর সার ব্যবহার বাড়ানো, নিষিদ্ধ রাসায়নিক বিষ ব্যবহারে পরিবর্তে স্থানীয় বালাই ব্যবহারের প্রতি উৎসাহী করা। পোকার আক্রমন কমানোর জন্য দেশীয় বীজবৈচিত্র্য দিয়ে চাষাবাদ করা। বীজ ব্যাংক তৈরী ও বিনিময় করা। নদী ও বিলের পানি প্রভাব সচলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, জলজ প্রাণি সুরক্ষায় দেশীয় আবাদ বৃদ্ধি করা।
স্থানীয় কৃষি জ্ঞানের ব্যবহার সম্প্রসারণ। আন্তঃসম্পর্ক চর্চা ও মিশ্র ফসল চাষ বাড়ানো। পাখি ও মৌমাছি সুরক্ষায় রাসায়নিক ব্যবহার কমানো। সরকারের সহযোগিতায় যুব উদ্যোগে বায়ো গ্যাস তৈরী করা জন্য প্রনোদনা সহযোগিতা । সরকারে কৃষি অধিদপ্তরের জৈব সারের উপর প্রনোদনা দেওয়ার প্রস্তাবনাও উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন:







