ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯-এর অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সাও জব্দ করা হয়।
র্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭:০০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, কসবার কায়েমপুর এলাকা থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সাযোগে কয়েকজন ব্যক্তি গাঁজাসহ তিনলাখ পীর এলাকার দিকে যাচ্ছেন।
সংবাদের ভিত্তিতে রাত ৮:১০ মিনিটের দিকে কসবা থানাধীন তিনলাখ পীর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে চেকপোস্ট বসায় র্যাব। এ সময় সন্দেহভাজন একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সাকে থামার সংকেত দেয়া হলে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অটোরিক্সা থেকে নেমে পাঁচ ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে র্যাব সদস্যরা তাদের আটক করেন।
আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা অটোরিক্সায় গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তাদের দেখানো মতে অটোরিকশার চালকের আসনের নিচ থেকে নীল রঙের পলিথিনে খাকি রঙের স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত অটোরিক্সাটিও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, কসবা উপজেলার কামালপুর গ্রামের মৃত জহির সরকারের ছেলে মো. সজীব সরকার, মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মো. ইউসুফ মিয়া, হুমায়ুন কবিরের ছেলে মো. ওমর সজীব খান, কামাল সরকারের ছেলে মো. আল আমিন রানা সরকার এবং চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার কাঞ্চনা গ্রামের মৃত হরে কৃষ্ণ পালের ছেলে ধ্রুব পাল।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তারা পরস্পর যোগসাজশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।
র্যাব-৯ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া নেয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের এবং জব্দ করা মাদক ও অটোরিকশা কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের বিস্তাররোধে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আরও পড়ুন:







