ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় র্যাব-৯ ও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ আব্দুল মান্নান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সাদা রঙের পিকআপও জব্দ করা হয়।
র্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ আগস্ট ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯:২০ মিনিটে কসবা থানাধীন এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ আভিযানিক দল জানতে পারে, কসবা পৌরসভার টিয়ালী বাড়ি সড়ক দিয়ে একটি সাদা রঙের পিকআপে করে মাদকদ্রব্য নিয়ে কুটি চৌমুহনীর দিকে যাচ্ছিলেন কয়েকজন ব্যক্তি।
সংবাদের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ৯:৫০ মিনিটে কসবা থানার কুটি ইউনিয়নের গরুর বাজারসংলগ্ন পাকা সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে যৌথ দলটি।
এ সময় একটি সাদা রঙের পিকআপকে থামার সংকেত দিলে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে এক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার কাছে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করেন।
পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পিকআপের ড্রাইভিং সিটের পাশের আসনের ওপর নীল রঙের পলিথিনে খাকি রঙের স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপটিও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি আব্দুল মান্নান। তিনি নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার মইজদিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাকে ও জব্দকৃত আলামত কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন:







