বৃহস্পতিবার

২০ আগস্ট, ২০২৬ ৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র-ইয়াবা-গাঁজাসহ ২১ জন আটক

সাঈদ পান্থ, বরিশাল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৫

শেয়ার

বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র-ইয়াবা-গাঁজাসহ ২১ জন আটক
ছবি: বাংলা এডিশন

বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২১ পিস ইয়াবা, ৩ কেজি ২৩০ গ্রাম গাঁজা, দুটি ধারালো দা ও ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত তিনটি সুইস গিয়ার চাকুসহ ২১ জনকে আটক করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)।

বুধবার বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে এসব আটক করা হয়।

বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ কমিশনারের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক হেলালুজ্জামান ও পুলিশ পরিদর্শক সুজিত গোমস্তার নেতৃত্বে মাদকবিরোধী এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে এসআই শাহীন, এসআই জাহিদ, এসআই আলম, এসআই মাহমুদসহ গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযানে কোতোয়ালি থানাধীন জিয়নগর মোহাম্মদ আলী সড়ক এলাকা থেকে মো. শামীম হাওলাদার ও মো. রাসেল হাওলাদার কে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়।

কাউনিয়া থানাধীন পলাশপুর বউবাজার রনি কমিশনারের গলি এলাকা থেকে মোসা. সুমি আক্তার (৩৬)কে ৯৬০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

একই থানার দিঘীরপাড় এলাকা থেকে মো. সাইফুল ইসলাম শান্ত কে ২১ পিস ইয়াবা, ২৩০ গ্রাম গাঁজা, দুটি বড় আকারের ধারালো দা এবং তিনটি সুইস গিয়ার চাকুসহ আটক করা হয়।

এছাড়া কোতোয়ালি থানাধীন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রধান গেটের সামনে থেকে মো. ফয়সাল বেপারী কে ৩০ পিস ইয়াবা, গগনগলি এলাকা থেকে লাবনী আক্তার কে ৫ পিস ইয়াবা এবং দপদপিয়া সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে মো. জহিরুল ইসলাম কে ১০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোয়েন্দা বিভাগের পৃথক অভিযানে সাতজনকে আটকের পাশাপাশি মহানগর পুলিশের অন্যান্য অভিযানে আরও ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। ফলে মাদক ও অপরাধবিরোধী অভিযানে মোট ২১ জনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনে সাতটি মামলা রুজু করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরাপদ ও মাদকমুক্ত বরিশাল মহানগরী গড়ে তুলতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসায়ী ও এর সঙ্গে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।



banner close
banner close