হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটকের ২২ ঘণ্টা পার হলেও তারা এখনো থানায় রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে, নাকি ছেড়ে দেয়া হবে এ বিষয়ে পুলিশের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজন ও সহকর্মীরা।
এর আগে সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে মাহদী হাসান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মির্জা সুমন ও রাকিবকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের সদর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে, আটকের ২২ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে মাহদীসহ আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য জানতে সদর থানায় যান সাংবাদিকরা। এ সময় থানার গেইটে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাক-বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, থানায় আটক মাহদী হাসানসহ অন্যদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও পুলিশের বক্তব্য নিতে গেলে গেইটে তাদের বাধা দেয়া হয়। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের উত্তপ্ত বাক-বিতণ্ডা হয়।
তবে মাহদীসহ তিনজনকে কেন আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দেয়া হবে কি না এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিনজনের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে নাকি ছেড়ে দেয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এদিকে, দীর্ঘ সময় থানায় আটকের পরও তাদের বিষয়ে পুলিশের সিদ্ধান্ত না আসায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে তাদের স্বজন ও সহকর্মীদের মধ্যে।
আরও পড়ুন:








