চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিনের ত্রি-বার্ষিক জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে মাওলানা আবুজার গিফারীকে সভাপতি ও হাফেজ আব্দুল খালেককে সাধারণ সম্পাদক করে ২৪ সদস্যের জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগনগর কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিনের জেলা সভাপতি মাওলানা আবুজার গিফারীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমির ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক।
সম্মেলনে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিনের বিভাগীয় সভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম খলীল মুজাহিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা আব্দুল কাদের জিহাদী।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ডা. হুমায়ুন কবির, মাওলানা আব্দুস সাত্তার (১), আব্দুস সাত্তার (২), মাওলানা আব্দুল খালেক, হাফেজ আব্দুল খালেক ও মাওলানা হাফিজুর রহমানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলনে বাংলাদেশ মাজলিসুর মুফাসসিরিনের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে মাওলানা আবুজার গিফারী সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মো. রুহুল আমিনের সঙ্গে পরামর্শক্রমে হাফেজ আব্দুল খালেককে সাধারণ সম্পাদক করে ২৪ সদস্যের জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন বলেন, আত্মহত্যা, বিবাহবিচ্ছেদ, সামাজিক বিশৃঙ্খলাসহ নানা সমস্যা বর্তমানে সমাজে দৃশ্যমান হচ্ছে। মানুষের নীতি, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ কমে আসছে। ইসলাম এসব কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না।
তিনি বলেন, সমাজে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে চলতে হবে। সব মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে সামাজিক অবক্ষয় রোধে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।
রুহুল আমিন বলেন, জামায়াতে ইসলামী মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিনের নতুন জেলা কমিটি আত্মপ্রকাশ করেছে। নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং সমাজের সর্বস্তরে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।
সম্মেলনে বক্তারা ইসলামী মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় আলেম-ওলামাদের ভূমিকা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে নতুন কমিটির নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন:








