শনিবার

৮ আগস্ট, ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩

কসবায় র‍্যাবের বড় অভিযান: ২৬৪ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার

মোছাব্বির হাসান সজীব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৮:৫৯

শেয়ার

কসবায় র‍্যাবের বড় অভিযান: ২৬৪ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় র‍্যাব-৯-এর অভিযানে ২৬৪ কেজি গাঁজাসহ রাসেল মিয়া মাহিন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় আরও এক ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। অভিযানে পরিত্যক্ত একটি টিনসেড ঘর থেকে মোট ২৬৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার বিকেল ৪:৩০টার দিকে কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চকবস্তা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

র‍্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব সদস্যরা জানতে পারেন, কায়েমপুর ইউনিয়নের চকবস্তা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত দোচালা টিনসেড ঘরে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী মাদক কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি আভিযানিক দল সেখানে অভিযান চালায়। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুজন পালানোর চেষ্টা করলে একজনকে আটক করা সম্ভব হয়। এ সময় অপর একজন কৌশলে পালিয়ে যায়।

আটক রাসেল মিয়া মাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার হেফাজতে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেখানো অনুযায়ী ওই পরিত্যক্ত ঘরের পাশে মাটির গর্ত থেকে আটটি পাটের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলোর ভেতরে নীল রঙের পলিথিন ও খাকি রঙের স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাওয়া যায়। পরে গাঁজার পরিমাণ নির্ধারণ করে ২৬৪ কেজি বলে জানায় র‍্যাব।

র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি দাবি করেছেন, তিনি ও পলাতক ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।

র‍্যাব জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও পলাতক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ও জব্দ করা মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-৯ আরও জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে গোয়েন্দা তৎপরতা ও চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।



banner close
banner close