বুধবার

৫ আগস্ট, ২০২৬ ২১ শ্রাবণ, ১৪৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২০,১৬০ পিস ইয়াবাসহ প্রায় ৮০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ করলো বিজিবি

মোছাব্বির হাসান সজীব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫২

আপডেট: ৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৫

শেয়ার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২০,১৬০ পিস ইয়াবাসহ প্রায় ৮০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ করলো  বিজিবি
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার ১৬০ পিস ভারতীয় ইয়াবাসহ প্রায় ৭৯ লাখ ৭৬ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)। বুধবার (৫ আগস্ট) পৃথক অভিযানে এসব মাদক ও ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করা হয়।

সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের নির্দেশনা “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক” বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে আলীনগর বিওপির একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগর উপজেলার নোয়াবাদী এলাকায় সীমান্ত পিলার ২০১৬/এমপি থেকে প্রায় ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থান নেয়।

এ সময় ভারতের দিক থেকে মাথায় ঘাসভর্তি ঝুড়ি নিয়ে আসা এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ধাওয়া করলে তিনি ঝুড়িটি ফেলে পালিয়ে যান। পরে ফেলে যাওয়া ঝুড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ঘাসের ভেতরে গামছায় কসটেপ দিয়ে মোড়ানো দুটি প্যাকেট থেকে ২০ হাজার ১৬০ পিস ভারতীয় ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মালিকবিহীন এসব ইয়াবা প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ধ্বংসের জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা দেয়ার কার্যক্রম চলছে।

এছাড়া একই দিনে মুকুন্দপুর বিওপির টহল দল প্রায় ১০ লাখ ৪৮ হাজার টাকা মূল্যের ১৩১টি ভারতীয় উন্নতমানের শাড়ি জব্দ করে।

অন্যদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রানজিট ক্যাম্প ও ব্যাটালিয়ন সদর থেকে পরিচালিত পৃথক বিশেষ অভিযানে ৮ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় ৭২০ পিস কাবেরী মেহেদী, ৬৯টি উন্নতমানের শাড়ি, ৬০ কেজি বাসমতি চাল এবং ১০০ পিস মোটরসাইকেলের খুচরা যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।

জব্দকৃত চোরাচালানি মালামাল আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) জানায়, তাদের দায়িত্বপূর্ণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচাররোধে বিজিবির টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।



আরও পড়ুন:

banner close
banner close