সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী দুই মামলায় জামিন পেয়েছেন। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা বিচারাধীন থাকায় আপাতত কারামুক্তি পাচ্ছেন না।
রবিবার (২ আগস্ট) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন শুনানি করেন।
মোট ছয়টি মামলার তথ্য
আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে মোট ছয়টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যা মামলার বিচার ট্রাইব্যুনালে চলছে। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তার জামিন স্থগিত রয়েছে।
তিনি জানান, বাকি চার মামলার মধ্যে দুটিতে জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ (রুল অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন। ফলে ওই দুই মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন। অবশিষ্ট দুই মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল শুনানির জন্য ১৬ আগস্ট দিন ধার্য রয়েছে।
মামলাগুলোর প্রেক্ষাপট
জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০২৪ সালের মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় সাইফুল ইসলামের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। এ ছাড়া হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও চারটি মামলা করা হয়।
এর আগে, ২০২৪ সালের বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করেন।
আরও পড়ুন:








