বরগুনার পাথরঘাটায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি মো. হাকিমকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেগ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। একই অভিযানে ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানায়, উদ্ধার হওয়া কিশোরী বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখে মাদ্রাসায় যাওয়ার পর সে বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে পাথরঘাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
পরদিন ভিকটিমের বাবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পারেন, মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক তাকে একটি অটোরিক্সায় তুলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে অবৈধভাবে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর থেকেই র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। এর ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১:৪০ মিনিটে র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল আশুগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালায়।
অভিযানে মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান পলাতক আসামি সরাইল উপজেলাধীন রানীদিয়া গ্রামের মো. হাকিম (২৩), পিতা- ইউনুস, ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে অপহৃত মাদ্রাসাছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি ও উদ্ধার হওয়া ভিকটিমকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ আরও জানিয়েছে, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, হত্যা, জঙ্গিবাদ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনের পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো স্পর্শকাতর ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন:








