একাধিক বার পত্রিকার শিরোনাম হওয়া আনোয়ার বাহিনীর মূল হোতা আনোয়ার আবারো বেপরোয়া। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে ভোলার দৌলতখান থানায় আইনের আশ্রয় নেয় সাধারণ কৃষক আঃ কাদের।
আইনের আশ্রয় নেয়ার কারনে আবার আনোয়ার বাহিনীর আক্রমণের শিকার হন প্রান্তিক কৃষক আব্দুল কাদের।
তবে অভিযুক্ত আনোয়ার মাষ্টার বলেন, তার সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে, এক পর্যায়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হাতাহাতিতে রুপ নেয়। কিন্তু সে গুরুতর আহত হবার মত ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরের বাসীন্দারা বলেন ভোলার মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন চর বৈরাগীতে আমরা সাধারণ কৃষক ওদের কাছে জিম্মি। চরের নিরীহ মানুষের জমি দখল, চাঁদা দাবি এবং তথাকথিত শালিস-বিচারের নামে পক্ষপাতিত্বসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে। তবে আনোয়ার কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক না হলেও সে এই চরে ভুমি দস্যুতার মাষ্টার। সে নিজেকে মাস্টার’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে চরে নিজের প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে ।
নাম প্রকাশ না করা সর্তে একজন চরবাসী বলেন রাতের আঁধারে অন্যের জমি জবরদখল করে চাষ দেয়ায় আনোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা করেন কাদের। পরে ২৯ জুলাই কাদের চরে আসলে আনোয়ার মাষ্টার এর লেকজন তার উপর হামলা করে।
আহত কৃষক কাদের এর ভাই জসিম বলেন আমার ভাই আনোয়ার এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার কারনে ই আজ হামলার ঘটনা ঘটান। তাদের ধাওয়া খেয়ে আমরা পালিয়ে গাজীপুর চরের দিকে আসলে আনোয়ার মাষ্টার ও তার এক সহযোগী ভোলা সদর উপজেলার গাজীপুর চরের কিনারে এসে আমাদের উপর দ্বিতীয়বারের মত হামলা করে।
আনোয়ার মাষ্টার নিজে আমার ভাইকে রামদা দিয়ে মাথার মাঝ বরাবর কোপ দেয়। দৌড়ে পালাতে না পারলে ওরা আমাদের দুই ভাইকে মেরে ফেলতো, পরে আমরা পালিয়ে গাজীপুর চর হয়ে দেশে ফিরি। বর্তমানে আমার ভাইকে নিয়ে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত।
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন:








