ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯ এর অভিযানে একটি প্রাইভেটকার থেকে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দুইজন কথিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তাদের সঙ্গে থাকা অপর একজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
মঙ্গলবার ভোর প্রায় ৫:৪০ মিনিটে সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া মোড় সংলগ্ন সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে এ অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে একটি প্রাইভেটকারে করে মাদকদ্রব্য ঢাকার দিকে নেয়া হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে কুট্টাপাড়া মোড় এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। চেকপোস্টে একটি রূপালি রঙের প্রাইভেটকারকে থামানোর সংকেত দিলে চালক তা অমান্য করে দ্রুত নাসিরনগর সড়কের দিকে পালিয়ে যায়।
পরে র্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে গাড়িটি আটকাতে সক্ষম হন। এ সময় গাড়ি থেকে নেমে তিনজন পালানোর চেষ্টা করলে দুইজনকে আটক করা হয়। অপর একজন কৌশলে পালিয়ে যান।
আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাইভেটকারের পেছনের অংশে বিশেষভাবে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় রাখা ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজাসহ প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন আরিফ, পিতা- বজলুর রহমান, গ্রাম- নামাটোলা এবং মো. বারিকুল ইসলাম, পিতা- মো. আকালু, গ্রাম- মনোহরপুর। তাদের উভয়ের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, পলাতক সহযোগীসহ তারা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
র্যাব-৯ জানায়, এ ঘটনায় পলাতক আসামিসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। গ্রেফতার দুই আসামি, উদ্ধারকৃত গাঁজা এবং জব্দ করা প্রাইভেটকার পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব আরও জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন:








