চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পাঁচজনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার (পুশ-ইন) চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করেছে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে সীমান্ত পিলার ৭৬/৪-এস সংলগ্ন এলাকা দিয়ে প্রতিপক্ষ ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে ক্যাম্পের মাধ্যমে পাঁচ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে (একজন পুরুষ, তিনজন নারী ও পাঁচ বছর বয়সী একটি শিশু) বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা করা হয়।
তবে তারা বাংলাদেশে প্রবেশের আগেই বিজিবির টহল দলের নজরে আসে। বিজিবি সদস্যরা তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেন এবং সীমান্তবর্তী কাঁটাতারের বেড়া সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করতে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর তোয়াসীন হাবীব হাসান বলেন, ভবিষ্যতেও সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে যাবে।
অপরদিকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে আবারও কয়েকজনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এসময় বাংলাদেশে ঢোকার পর নিরুদ্দেশ হয়ে যান তারা।
বৃহস্পতিবার ( ২২ জুলাই) ভোরে জীবননগর সীমান্তের ওপারে মাটিয়ারি (পুশইন হয়ে আসারা বলেছে পাটোয়ারি) সীমান্ত এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেয়া হয়। ভোরে পুশ ইন হয়ে আসা ব্যক্তিদের জীবননগর উপজেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এসময় পুশইন হয়ে আসা খুলনা জেলার দুইভাই আমিনুর রহমান ও খলিলুর রহমান জানান, দুই বছর আগে কাজের সন্ধ্যানে ভারতে যান তারা। আজ সকালে তারাসহ মোট ৭ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ। বাংলাদেশে ঢোকার সময় বিজিবি বা পুলিশের সাথে দেখা হয়নি তাদের। বাকীরা কোথায় গেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির পরিচালক লে. কর্নেল রফিকুল আলম জানান, পুশইন সংক্রান্ত তথ্য বিজিবির কাছে নেই। পাটোয়ারি নামে কোনো সীমান্ত জীবননগরের আশপাশে নেই। বিষয়টি যাচাই বাছাই চলছে।
আরও পড়ুন:








