ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে কিশোর জিহাদ ইসলাম জয় হত্যা এবং লাশ গুমের চেষ্টার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)। গ্রেপ্তারকৃত সুজন মিয়া সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে।
মঙ্গলবার র্যাব-৯, সিলেট সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২০ জুলাই বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া কবরস্থান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি সরাইল থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিহত জিহাদ ইসলাম জয় সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। গত ১০ জুলাই বিকেলে তিনি তার বাবার সঙ্গে নাইল্লা ভাঙ্গার মোড়ে মাছ ধরতে যান। পরে বাবা তাকে কিছু মাছ বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আবার ঘটনাস্থলে ফিরে আসতে বলেন।
জিহাদ বাড়িতে মাছ দিয়ে মাগরিবের নামাজের পর পুনরায় বের হলেও আর ফিরে আসেননি। রাত পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কুট্টাপাড়া মোড় সংলগ্ন রাস্তার দক্ষিণ পাশে ঝোপের মধ্যে তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। মরদেহের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
পরবর্তীতে নিহতের বাবা বাদী হয়ে সরাইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সুজন মিয়াকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ আরও জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন:








