সোমবার

২০ জুলাই, ২০২৬ ৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩

নীলফামারীতে এক বছর আগের প্রশ্ন দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা; পৌনে দুই ঘন্টা পর ধরা পড়লো ভুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৩৩

আপডেট: ১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৪৭

শেয়ার

নীলফামারীতে এক বছর আগের প্রশ্ন দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা; পৌনে দুই ঘন্টা পর ধরা পড়লো ভুল
ছবি: সংগৃহীত

চলমান ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার একটি কেন্দ্রে ২০২৬ সালের পরিবর্তে ভুলবশত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রে প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পরীক্ষা নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে ভুল ধরা পড়লে ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হয়।

রবিবার সকাল ১০টায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ইতিহাস বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীদের হাতে ২০২৬ সালের পরিবর্তে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র তুলে দেয়া হয়। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ওই প্রশ্নপত্রেই উত্তর লিখতে থাকেন। পরে ভুলটি ধরা পড়লে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করে ২০২৬ সালের সঠিক প্রশ্নপত্র বিতরণ করে। এরপর নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা নিয়ে বেলা ২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় দেয়া হয়।

পরীক্ষার্থীরা জানান, শুরুতে প্রশ্নপত্রে কিছু অসঙ্গতি তাদের নজরে এলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ পরিদর্শকদের বিষয়টি জানানো হলে তা গুরুত্ব দেয়া হয়নি। দীর্ঘ সময় পর কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছে।

এ বিষয় পরীক্ষার্থী শুভ মিয়া বলেন, বড় ভিটা স্কুল এন্ড কলেজে আজ আমাদের ইতিহাস পরীক্ষা ছিল দুইটি রুমে আমরা যখন চারটি সৃজনশীল লেখা শেষ করি তখন একজন শিক্ষক এসে আমাদের নতুন প্রশ্নপত্র দিচ্ছে এতক্ষণে প্রায় এক ঘন্টা ৪২ মিনিট সময় শেষ হয়ে গেছে। যা আবার নতুন করে আমাদের সাতটা সৃজনশীল লিখতে হবে একজন শিক্ষার্থী কিভাবে এই ১১ টি সৃজনশীল লিখা কী সম্ভব।

আরেক শিক্ষার্থী মাহফুজ ইসলাম বলেন, আমরা যখন ৪টা সৃজনশীল লিখা শেষ করছি তখন আমাদেরকে আবার নতুন আরেকটি প্রশ্নপত্র দিচ্ছে দিয়ে বলে যে ৭টি সৃজনশীল লিখতে হবে। এটা কোনভাবে সম্ভব আপনি বলেন একজন শিক্ষার্থী ১১টি সৃজনশীল লিখা সম্ভব।

এ বিষয়ে বড়ভিটা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ বাদশা আলমগীরকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন আমরা সঠিক প্রশ্ন দিয়ে পরিক্ষা নিয়েছি। একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগের কথা তাকে জানালে ব্যাস্ত আছে বলে ফোন কেটে বন্ধ করে রাখেন।

কিশোরগঞ্জ উপজেলা নিবাহী কমকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুজ্জামান বলেন, বিষয়টি অবগত আছি, এই বিষয় নিয়ে আমরা ইউএনও মহোদয়ের সাথে বসছি। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বর্তমানে মিটিংয়ে আছি।



banner close
banner close