মঙ্গলবার

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

সর্বশেষ
ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে পারস্পরিক আইনি সহায়তা জোরদারে আইনমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ দুর্নীতির অভিযোগ কী আছে আসিফ মাহমুদের ভাগ্যে? জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে দূরদর্শী ও দিকনির্দেশনামূলক বললেন রাষ্ট্রপতি বিরোধীদলসহ সবার সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউইয়র্ক টাইমসের নির্বাহী কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা, শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রেপ্তার মিরপুরে তিন ভাইয়ের বাহিনী, তিন এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণে ব্যয় বাড়ল ৮৪৭ কোটি

কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বাড়ছে, ১৬টি স্পিলওয়ে গেট খোলার প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ জুলাই, ২০২৬ ১০:১৪

শেয়ার

কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বাড়ছে, ১৬টি স্পিলওয়ে গেট খোলার প্রস্তুতি
ছবি: সংগৃহীত

রাঙ্গামাটিতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও পাহাড় ধসের ঝুঁকি এখনো বহাল রয়েছে। একই সঙ্গে কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে থাকায় বাঁধ থেকে পানি ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বেড়ে ১০৩ দশমিক ৯১ ফুট এমএসএলে পৌঁছেছে। উজানের ভারী বৃষ্টির কারণে পানি আরও বাড়ার আশঙ্কায় শনিবার সকাল ১১টার পর যেকোনো সময় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি স্পিলওয়ে গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড়া হতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী গেট আরও খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পাঁচটি ইউনিট দিয়ে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে এখন পাঁচটি ইউনিটই চালু রয়েছে। কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে ২০৬ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে, যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ উৎপাদন। কর্মকর্তারা জানান, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে উৎপাদন আরও বাড়তে পারে।

এদিকে সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন এলাকায় সড়ক, কৃষিজমি ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলছে। জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে এবং কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী মানুষকে সম্ভাব্য পানি বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।