নীলফামারীর ডিমলায় একটি মসজিদ থেকে মোয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর নিহতের মামা আহিদুল ইসলাম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের কাকড়ার বাজার এলাকার মুনাকষা জামে মসজিদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আব্দুল মালেক ওই এলাকার নুরুল হকের ছেলে। তিনি স্থানীয় মসজিদে মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং প্রয়োজনে ইমামতিও করতেন।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এশার নামাজ শেষে মুসল্লিরা মসজিদ ত্যাগ করেন। ধারণা করা হয়, আব্দুল মালেকও সবার সঙ্গে বের হয়ে গেছেন। তবে রাত প্রায় ১টার দিকে এক ব্যক্তি মসজিদে গিয়ে তাকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর একদিন আগেই বিয়ে করেছিলো আব্দুল মালেক।
এদিকে আব্দুল মালেকের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর তার মামা আহিদুল ইসলাম হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলী সরকার।
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, 'রাত প্রায় ২টার দিকে খবর পাই। আব্দুল মালেক ওই মসজিদের মোয়াজ্জিন ছিলেন এবং মাঝে মধ্যে ইমামতিও করতেন। সকালে জানতে পারি, মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর তার মামা স্ট্রোক করে মারা গেছেন।'
আরও পড়ুন:








