মাদক পাচারে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে সন্দেহ এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। কক্সবাজারের রামুতে অভিযান চালিয়ে ওই গাড়ি থেকে ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার এবং দুই নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামুর রাবার বাগান এলাকায় ডিএনসির চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সাব্বির হোসেন , নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সিমা ইসলাম এবং ঢাকার দারুসসালাম এলাকার উর্মি আক্তার ঊষা।
ডিএনসির কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মণ্ডল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পর্যটকবেশে ইয়াবা পাচারের তথ্য পেয়ে রামু রাবার বাগান এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। এ সময় ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৪-৮১১১ নম্বরের একটি সাদা টয়োটা প্রাইভেট কার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিতে গাড়ির ভেতরে বিশেষ কৌশলে স্কচটেপ ও টিস্যু পেপারে মোড়ানো তিনটি পোটলা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি পোটলায় ১০টি করে জিপার লক পলিপ্যাকেট ছিল। প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে মোট ৬ হাজার অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
অভিযানের সময় আসামিদের কাছ থেকে চারটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। এছাড়া গাড়িটির উইন্ডশিল্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মিরপুর ডিওএইচএসের স্টিকার লাগানো ছিল। গাড়ির ফিটনেস সনদ ও ট্যাক্স টোকেনও জব্দ করা হয়েছে।
ডিএনসির উপপরিচালক জানান, এ ঘটনায় পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, পর্যটনের আড়ালে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কক্সবাজারে এসে মাদক সংগ্রহ করে পাচারের প্রবণতা বেড়েছে। অনেক পাচারকারী মোটরসাইকেল বহর কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে ইয়াবা পরিবহন করছে। এসব চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:








