চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় টানা ছয় দিনের বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মধ্যে পানিতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস টিম।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সরল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম জালিয়াঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত তাহিন নুর উপজেলার সরল ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল করিমের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্র ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, টানা ছয় দিনের ভারী বর্ষণে বাঁশখালীর নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় অনেক সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যায়। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাহিন নুর পানিতে ডুবে থাকা একটি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পা পিছলে পানিতে পড়ে নিখোঁজ হয়। স্বজন ও স্থানীয় লোকজন দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দেন।
খবর পেয়ে বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায়। পরে বিকেলে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা মো.মিজানুর রহমান জানান, উদ্ধার অভিযান শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দলটি স্টেশনে ফিরে আসে। এ ঘটনায় আর কেউ আহত হননি। টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় চলাচলের সময় সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
উল্লেখ্য, উপজেলায় পাহাড়ি ঢলের পানির তীব্র স্রোতে ভেসে একইদিনে বাহারচড়া ইউনিয়নের পৃথক এলাকায় আশিক এবং মো. মিরাজ নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুন:








