ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের মাদকবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের পর জেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা, সচেতন মহল এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলছেন, শুধু ঘোষণা নয়, মাঠপর্যায়ে ধারাবাহিক অভিযান, নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগ এবং সামাজিক প্রতিরোধই হতে পারে মাদক নিয়ন্ত্রণের কার্যকর পথ।
নিজের পোস্টে এমপি বলেন, মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে আমার অবস্থান "জিরো টলারেন্স"। এই ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নয়। যুব সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে হলে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগই নয়, সমাজের প্রতিটি সচেতন মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিকভাবেও তাদের প্রতিহত করতে হবে।
পোস্টটি প্রকাশের পর স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত মাদক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।
তবে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের দাবি ও গুঞ্জন ছড়ালেও, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সম্পর্কে অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই পাওয়া যায়নি। তাই এ ধরনের দাবি যাচাই না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা সমীচীন নয়।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মাদকের বিস্তাররোধে নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি, নিরপেক্ষ অভিযান, বিচারিক প্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। তাঁদের ভাষ্য, রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব নির্বিশেষে মাদক-সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা গেলে যুবসমাজকে এই ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
এখন দেখার বিষয়, এমপির এই কঠোর অবস্থানের পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো মাঠপর্যায়ে কতটা কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয় এবং মাদকবিরোধী অভিযান কতটা ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হয়।
আরও পড়ুন:








