কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও এক ছেলেকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক রোহিঙ্গা শরণার্থীর বিরুদ্ধে। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে তাদের অপর সন্তান। অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
বুধবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বি-৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ক্যাম্পের বাসিন্দা শহীদ নুর (৩৩) এবং তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মো. শামীম হক। গুরুতর আহত হয়েছে তাদের অপর ছেলে মো. আবছার (৯)। তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে আতাসমুল হক (৩৭) নামে এক রোহিঙ্গা শরণার্থী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শহীদ নুর ও তার এক ছেলে নিহত হয়। অপর ছেলে গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যায়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আতাসমুল হক পলাতক রয়েছেন।
রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে ক্যাম্প-৬ থেকে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং গুরুতর আহত এক শিশুকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত আতাসমুল হককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান বলেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:








