ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন প্রকল্পের অব্যয়িত ৮৩ লাখ ৯ হাজার ৭৯০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের অব্যয়িত ৭৪ লাখ ২ হাজার ৬৭৭ টাকা, দারুল আরকাম শিক্ষা সুসংহত প্রকল্পের ১ লাখ ১৭ হাজার ১১৩ টাকা এবং বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দকৃত ৬ লাখ ১০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের ফিল্ড অফিসার মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, অব্যয়িত সরকারি অর্থ কোষাগারে ফেরত দেওয়া উপপরিচালক মোহাম্মদ ফারুক আহমেদের সততা ও দায়িত্বশীলতার একটি দৃষ্টান্ত। এটি সংশ্লিষ্টদের জন্য অনুপ্রেরণার বিষয়।
জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকরা জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ জেলার নয়টি উপজেলার কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি, মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন এবং বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কার্যক্রমে গতি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন।
সিনিয়র ফিল্ড সুপারভাইজার মো. আনোয়ার হোসেন, ফিল্ড সুপারভাইজার মো. শাহিন সরকার ও মো. আনিছুর রহমান বলেন, তাঁর নেতৃত্বে জেলার কার্যক্রমের গতি বেড়েছে এবং সরকারি বরাদ্দ বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে।
হিসাবরক্ষক মো. মোন্নাফ হোসেন বলেন, মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ হিসাব-নিকাশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে প্রতিটি খাতের ব্যয় সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করেন।
তাড়াশ উপজেলার মডেল কেয়ারটেকার মো. আব্দুল মাজিদ বলেন, দীর্ঘ চাকরি জীবনে অনেক কর্মকর্তার সঙ্গে কাজ করলেও মোহাম্মদ ফারুক আহমেদের মতো সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা খুব কমই দেখেছেন।
এ বিষয়ে উপপরিচালক মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। তাই অব্যয়িত অর্থ যথাযথ নিয়মে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সততা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। আমিও সেই আদর্শ অনুসরণ করার চেষ্টা করেছি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন।
আরও পড়ুন:








