শনিবার

৪ জুলাই, ২০২৬ ২০ আষাঢ়, ১৪৩৩

বারহাট্টায় 'আমার গ্রাম আমার শহর' প্রকল্পের টয়লেট নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

ওমর ফারুক আহম্মদ, নেত্রকোণা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৮

শেয়ার

বারহাট্টায়  'আমার গ্রাম আমার শহর' প্রকল্পের টয়লেট নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
ছবি: বাংলা এডিশন

নেত্রকোণার বারহাট্টায় 'আমার গ্রাম আমার শহর' প্রকল্পের টয়লেট নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, অপর্যাপ্ত সিমেন্ট, ত্রুটিপূর্ণ ঢালাই এবং দুর্বল কাঠামোর কারণে উদ্বোধনের আগেই অনেক টয়লেটে ফাটল ও প্লাস্টার খসে পড়ছে। টয়লেটের পিলারে রডের খাঁচা তৈরির পরিবর্তে কোথাও একটি মাত্র রড ব্যবহার করারও অভিযোগ উঠেছে। রডের পরিবর্তে জিআই তার ব্যবহার, নিম্নমানের কাঠ ও অল্প টিন ব্যবহারের কারণে অনেক টয়লেটের ছাউনি দিয়ে শুরু থেকেই পানি পড়ছে।

সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি টয়লেটের দেয়াল ও ঢালাইয়ের অংশ হাতের চাপেই ভেঙ্গে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর বিটবালু ব্যবহার এবং প্রয়োজনের তুলনায় কম সিমেন্ট দেয়ায় এমনটা হচ্ছে । অনেক উপকারভোগী বাধ্য হয়ে নিজেদের অর্থে অতিরিক্ত দুই থেকে তিন বস্তা সিমেন্ট কিনে দিলেও কাঙ্ক্ষিত মান নিশ্চিত না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বারহাট্টা উপজেলা শাখা সূত্রে জানা যায়,আমার গ্রাম আমার শহর প্রকল্পের আওতায় সাহতা ইউনিয়নের ডেমুড়া গ্রামে মোট ১৯০ টি টয়লেট নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিটি টয়লেট নির্মাণে ৪৪ হাজার ৯৭৯ টাকা করে ব্যয় ধরে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৮৫ লক্ষ ৪৫ হাজার ৯১০ টাকা।প্রকল্পটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনও অনেক উপকারভোগীর বাড়িতে নির্মাণসামগ্রীই পৌঁছায়নি।

ডেমুরা গ্রামের উপকারভোগী রফিকুল ইসলাম জানান, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নিজের টাকায় সিমেন্ট কিনে দিতে হয়েছে। এরপরও নির্মাণকাজ সন্তোষজনক হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা শামসুজ্জামান কানন বলেন, এলাকার প্রায় সব টয়লেটের কাজই নিম্নমানের হয়েছে। উদ্বোধনের আগেই অনেকগুলোতে ফাটল দেখা দিয়েছে। আমরা বারবার আপত্তি জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি।

এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. বিদ্যুৎ মিয়া বলেন, আমরা সর্বাবস্থায় কাজের তদারকি করছি। অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।



banner close
banner close