ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে লেবার ওয়ার্ডে ফুটফুটে এক কণ্যা সনাতানের জম্ম দিয়েছেন মানসীক ভারসাম্যহীন এক নারী। কোন প্রকার অশ্রপচার ছাড়া আজ সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে স্বাভাবিক প্রসব করেন কণ্যা সন্তান।
বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালে নবজাতক পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছে।
রবিবার সকাল থেকে প্রসবের যন্তনায় ছটপট করতে দেখে এক পখীক নারী ভারসাম্যহীন এই নারীকে ভোলা সদর হাসপাতালে এনে রেখে যান।
বিষয়টি ভোলা সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য মামুন দেখতে পেয়ে দ্রুততার সাথে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফুটফুটে এক কণ্যা সন্তানের জম্ম হয়।
জানাগেছে সন্তান প্রসবকারী মানসিক ভারসাম্যহীন ঐ নারীর নাম রুমা। ইতিপূর্বে তিনি আরো একটি কণ্যা সন্তানের মা হয়েছিলেন, কিন্তু সেই সন্তানটি কোথায় কেমন আছে জানা নেই তার।
তবে এবারের সন্তানের বাবার পরিচয় হিসেবে রুমা বলেন এ সন্তানের বাবা হলেন দুলাল, কে এই দুলাল তা জানেন না রুমা।
তবে রুমা এবারের সন্তানের নাম রাখতে চান সুমাইয়া বা নাজমুন । সুমাইয়া তিনি নিজেই পালতে চান।
তবে ফুটফুটে কণ্যাকে পিতার স্বীকৃতি দিয়ে আজীবন দায়িত্ব নিতে হাসপাতালে ভিড় জমিয়েছেন একাধিক নারী পুরুষ। তাদের এক জন ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডে কর্তব্যরত ইউনুস, ইউনুসের কোন ছেলে সন্তান না থাকায় এই শিশুটির দায়িত্ব পালন করতে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছেন হাসপাতালে।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ তৈয়বুর রহমান বলেন আজ সকালে কে বা কাহারা মানসীক ভারসাম্যহীন একজন প্রসুতী মা কে হাসপাতালের অভ্যস্তরে রেখে যান।
পরবর্তীতে আমাদের নার্স ও চিকিৎসকদের চিকিৎসা সহায়তায় তিনি একটি কণ্যা সন্তান প্রসব করেন।
মা ও শিশু আমাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন, তাদের চিকিৎসা চলমান রয়েছে। আমরা তাদের কে সার্বক্ষনিক পরিচর্যার জন্য সেবিকা নির্ধারন করেছি।
ইতিমধ্যে একাধিক দম্পতি শিশুটির দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন,। আমরা তাদের চিকিৎসা সম্পন্নের পরে সমাজসেবা অধিদপ্তর কে অবহিত করবো। পরবর্তী ব্যবস্থা সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করবেন।
ভোলা জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার সরকার বলেন আমি মানসিক ভারসাম্যহীন মা ও নবাগত শিশুটির সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর নিচ্ছি। চিকিৎসা শেষে প্রচলিত বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন:








