শনিবার

২৭ জুন, ২০২৬ ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩

মেরিটাইম শিক্ষার্থীকে ছিনতাইয়ের তদন্তে সিসিটিভি সংগ্রহকালে ককটেল হামলা

সাদিকুর রহমান সাদি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৭ জুন, ২০২৬ ১৪:০৬

শেয়ার

মেরিটাইম শিক্ষার্থীকে ছিনতাইয়ের তদন্তে সিসিটিভি সংগ্রহকালে ককটেল হামলা
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ওশেনোগ্রাফি অ্যান্ড হাইড্রোগ্রাফি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী খান তানজিদ আহমেদ ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি পল্লবী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২৬ জুন সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩৫ মিনিটে মিরপুরের পল্লবী থানাধীন সেকশন-১২, ব্লক-সি, রোড-০১ এলাকায় যাতায়াতকালীন অজ্ঞাতনামা তিন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক একটি গলিতে নিয়ে যায়। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ছিনতাই শেষে তাকে হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী পল্লবী থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এদিকে, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করলে সেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রমাণ সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি ও আতঙ্ক ছড়াতেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা জানান, মিরপুর-১২ ও আশপাশের এলাকায় ছিনতাই, সন্ত্রাস ও মাদকসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির পাশাপাশি বিইউপি ও এমআইএসটির অসংখ্য শিক্ষার্থী এ এলাকায় বসবাস করলেও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে চলাফেরা করতে বাধ্য হচ্ছেন।

তাদের দাবি, ছিনতাইয়ের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনার জন্য শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে অবস্থানকালে সেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা মূলত অপরাধীদের বেপরোয়া মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি ও তদন্ত কার্যক্রমে বাধা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা মিরপুর-১২ এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।



banner close
banner close