ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে গ্রাম্য সালিশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে শ্রমিক দল নেতা জাহাঙ্গীর আলম নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
নিহতের পরিবার ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুন পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত একটি সালিশ বৈঠকে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে প্রতিপক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্বজনদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলায় জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে নাছির মিয়া, বাবু, শিপন, শেখ সাদী ও সাচ্চুসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলায় কয়েকজন আসামির রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে অভিযোগ উত্থাপন করা হলেও সংশ্লিষ্ট দাবির স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, মামলায় ১৬ জনকে আসামি করা হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিচ্ছে বলেও তারা দাবি করেছেন।
এ ঘটনায় দ্রুত সকল আসামির গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী। দাবি বাস্তবায়িত না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:








