টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ও বিকৃত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মো. হাদি চকদার নামের এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। সোমবার ২২ জুন টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন দৈনিক টাঙ্গাইল প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম ভূঞা। আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বা ডিবির ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত হাদি চকদার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এস-এর ভূঞাপুর উপজেলা প্রতিনিধি এবং উপজেলার বীরহাটি গ্রামের বাসিন্দা। মামলার এজাহার অনুযায়ী, হাদি চকদার বাদীর ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি ও পেজ খুলে দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার চালিয়ে আসছিলেন। এ বিষয়ে এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছিল।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১৬ জুন দুপুর আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে বাদীর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে হাদি চকদারের নামীয় একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার বিকৃত ও আপত্তিকর ছবি বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়ার তথ্য আসে। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে বাদী বিষয়টি নিশ্চিত হন। তার দাবি, ছবি বিকৃত করে অশ্লীল ও আপত্তিকরভাবে প্রচার করায় তিনি সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছেন। এ ঘটনায় ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮(১), ৮(২) ও ৮(৩) ধারায় প্রতিকার চেয়ে তিনি মামলাটি করেন।
মামলার বিষয়ে বাদী শফিকুল ইসলাম ভূঞা জানান যে তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন এবং তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাংবাদিক হাদি চকদার তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান যে একজন সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সত্য প্রকাশের কারণে অতীতেও তাকে মামলা মোকাবিলা করতে হয়েছে। তিনি আরও জানান যে প্রকাশিত তথ্য ও ব্যবহৃত ছবির সত্যতা ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা সম্ভব এবং তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বিষয়টি মোকাবিলা করবেন। কোনো ধরনের হয়রানি তাকে সত্য প্রকাশ থেকে বিরত রাখতে পারবে না বলেও তিনি দাবি করেন।
আরও পড়ুন:



.jpg)


.jpg)
.jpg)
