সোমবার

২২ জুন, ২০২৬ ৮ আষাঢ়, ১৪৩৩

পিকে হালদারের সহযোগী তির্থার ৭ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫২

আপডেট: ২২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৬

শেয়ার

পিকে হালদারের সহযোগী তির্থার ৭ বছরের কারাদণ্ড
প্রশান্ত কুমার হালদার। ছবি: সংগৃহীত

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আলোচিত ব্যক্তি প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার)-এর সহযোগী এবং সুখাদা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অভিজিত অধিকারী তির্থ-কে দুই ধারায় মোট সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাকে এক কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও ৩০ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রায়ের আদেশ অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনের ২৬(২) ধারায় তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৭(১) ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে উভয় সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে। এছাড়া জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে অর্জিত সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব দে জানান, মামলার শুরু থেকেই আসামি পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় তির্থার বিরুদ্ধে এক কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে এক কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আদালত অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু করেন। বিচার চলাকালে পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।



banner close
banner close