মঙ্গলবার

২৩ জুন, ২০২৬ ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩

বগুড়ায় সাংবাদিক রেজানুরের জামিন মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৫

শেয়ার

বগুড়ায় সাংবাদিক রেজানুরের জামিন মঞ্জুর
ছবি সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলাম জামিন পেয়েছেন। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বগুড়া সদর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান তার জামিনের আদেশ দেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকা থেকে রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন শুক্রবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

রেজানুর ইসলাম গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার বসুরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত এবং দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বগুড়া আদালত পুলিশের পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম। আসামিপক্ষের আইনজীবী তানজীম আল-মিসবাহ জানান, শুনানি শেষে ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুর্নীতিবাজ প্রতিমন্ত্রীর জালিয়াতি ফাঁস শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে গত ১৭ জুন বগুড়া সদর থানায় অভিযোগ করেন বাংলা টিভির বগুড়া ব্যুরোপ্রধান ও বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম রিমন। এতে ছয়জনকে আসামি করা হয়। রেজানুর ইসলাম ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, বগুড়া প্রতিবেদক শামস এবং জেলা প্রতিনিধি মো. সাব্বির হাসান।

এজাহারে বলা হয়, পত্রিকার ফেসবুক পেজে গত ৪ মে দুর্নীতির বিতর্কে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিরোনামে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়। পরে ১১ জুন বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুর্নীতিবাজ প্রতিমন্ত্রীর জালিয়াতি ফাঁস শিরোনামে আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া ১২ জুন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সংবাদ সম্মেলন নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যার শিরোনামে তার বক্তব্য উদ্ধৃত ছিল।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মামলা করার প্রস্তুতির সময় পত্রিকার সম্পাদক মেহেদী হাসান হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে অভিযোগকারী তানভীর আলমের কাছে চাঁদা দাবি করেন এবং চাঁদা না দিলে প্রতিমন্ত্রীর পাশাপাশি তাকেও মানহানির হুমকি দেওয়া হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।



banner close
banner close