মঙ্গলবার

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

সর্বশেষ
জামায়াত সেক্রেটারিকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা সফল হবে না: এহসানুল মাহবুব জুবায়ের মুক্তিযোদ্ধা সনদের বিনিময়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে স্বাক্ষী দিয়েছেন পশারী; দাবি তার ভাইয়ের সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিমানবন্দরসহ চার স্থানে হামলা; দাবি হুতিদের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে নতুন বার্তা মোজতবা খামেনির কুষ্টিয়ায় জামায়াতের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ত্রিদেশীয় সিরিজে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা, বাদ ইংল্যান্ড বাড়িতে গুদাম দেখিয়ে সারের ডিলারশিপ পেলেন যুবলীগ নেতা নজরুল আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নয়, ফ্যাসিস্টদের ক্লাব: জামায়াত আমির

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১২৭তম বারের মতো পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:২৭

শেয়ার

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১২৭তম বারের মতো পেছাল
ছবি সংগৃহীত

বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। বৃহস্পতিবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন থাকলেও তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত আগামী ২২ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এর মাধ্যমে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ১২৭তম বারের মতো পিছিয়ে গেল।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির তদন্ত প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ শুরু করলেও পরে তা গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়। এরপর ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশে র‌্যাবের কাছ থেকে তদন্তভার সরিয়ে পিবিআইকে দেওয়া হয় এবং মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের ১৩ বছর অতিক্রম হলেও এখন পর্যন্ত মামলার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

মামলায় এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তানভীর রহমান ও পলাশ জামিনে রয়েছেন। বাকি আসামিরা কারাগারে আছেন।

হত্যাকাণ্ডের আট মাস পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও হত্যার কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে চূড়ান্ত সত্য উদ্ঘাটিত হয়নি।

এদিকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হলেও সেই পরীক্ষার প্রতিবেদনও এখনো প্রকাশ করা হয়নি। দীর্ঘসূত্রতার কারণে মামলাটির বিচার ও তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিক সমাজ এবং নিহতদের স্বজনদের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ বাড়ছে।