সিরাজগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কামারখন্দ থানা পুলিশ। রোববার (১৪ জুন) রাত ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নাটোরের সিংড়া ও সিরাজগঞ্জের বেলকুচি এলাকায় পরিচালিত অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সাদেক আলী ওরফে মোকাদ্দেস (৬২), হৃদয় হাসান (২৬), মো. সুজন (৩১), মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে সবুজ (৩১) এবং মো. ইমদাদুল হক (৪৩)। এ ছাড়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে জয়নব খাতুন নামে এক নারীকেও আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, চুরি, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সাদেক আলীর বিরুদ্ধে ৫টি, হৃদয় হাসানের বিরুদ্ধে ৭টি, সুজনের বিরুদ্ধে ১৩টি, আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৫টি এবং ইমদাদুল হকের বিরুদ্ধে ৫টি ডাকাতি ও চুরির মামলা রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদেক আলী কামারখন্দের টিটিসি এলাকায় সংঘটিত ডাকাতিতে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। নাটোর সুগার মিল, রাজশাহীর মোহনপুরের কেশরহাট কোল্ড স্টোরেজ এবং মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার একটি পলিথিন কারখানাসহ বিভিন্ন স্থানে ডাকাতিতে অংশ নেওয়ার তথ্যও দিয়েছেন তিনি।
পুলিশ জানায়, চক্রটির সদস্যরা নিজেদের নামে কেনা ছোট পিকআপ ব্যবহার করে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের তামার তার ও মূল্যবান যন্ত্রাংশ লুট করত। হৃদয় হাসান, সুজন ও ইমদাদুল হক আগেও একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে মুক্তি পেয়ে পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়েন বলে পুলিশের দাবি।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাশমত আলী বলেন, গ্রেপ্তার আসামিরা কামারখন্দ উপজেলার চৌবাড়ি কৃষ্ণপুর এলাকার বন্ধ হয়ে যাওয়া ফেন্সি মিল্ক অ্যান্ড অ্যাগ্রো ফ্যাক্টরিতে সংঘটিত ডাকাতির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:








