রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মাদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া এলাকায় একটি পাটক্ষেত থেকে মো. আসাদুল ইসলাম নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত আসাদুল কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বিল মানুষমারি গ্রামের মো. সাজাহানের ছেলে এবং মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে সূর্যদিয়া দাখিল মাদ্রাসার পাশের একটি পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহে আগুনে পোড়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আসাদুল ইসলামের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে রাত ১০টার দিকে বিষয়টি স্থানীয় থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার জানান, সকালে পাটক্ষেত থেকে নিখোঁজ আসাদুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।
এদিকে, রাজবাড়ী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম দাবি করেছেন, আসাদুল ইসলাম কালুখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
তিনি বলেন, গতকাল বিকেলে সোনাপুর হাটে যাওয়ার পর থেকেই আসাদুল নিখোঁজ ছিলেন। পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অবহিত করা হয়। আজ সকালে একটি পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আসাদুল একজন ভদ্র ও মেধাবী তরুণ হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন:








