মঙ্গলবার

২৩ জুন, ২০২৬ ৯ আষাঢ়, ১৪৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অটোরিকশার ধাক্কায় ঔষুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া:প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৫

আপডেট: ১২ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৬

শেয়ার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অটোরিকশার ধাক্কায় ঔষুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে রাস্তা পার হওয়ার সময় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় বিজয় বর্মন নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের কাউতলী স্টেডিয়ামের সামনে ফুলকলি বেকারির সামনে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

তিনি জেলা শহরের গোকর্ণঘাট এলাকার বর্মনপাড়ার বাসিন্দা এবং হিমাংশ বর্মনের ছেলে। প্রায় আড়াই বছর আগে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দেড় বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।

হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,বৃহস্পতিবার রাতে কাউতলী স্টেডিয়ামের বিপরীতে ফুলকলি বেকারির সামনে বিজয় বর্মন রাস্তা পার হওয়ার সময় শহরমুখী একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাস্তায় পড়ে যান। দুর্ঘটনার পর স্টেডিয়াম মার্কেটের নাইট গার্ড ফেরদৌস মিয়া এবং অটোরিকশার এক যাত্রী সুবজ মিয়া দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চিকিৎসা প্রদান করেন এবং ইসিজি পরীক্ষা শেষে রাত ১২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা.এহসান হাবিব জানান,মাথায় গুরুতর আঘাতজনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়ে বিজয়ের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। এদিকে বিজয়ের আকস্মিক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তার মা ও স্বজনরা। শোকাহত পরিবারে নেমে এসেছে গভীর মাতম।

নিহতের বড় ভাই সঞ্চয় বর্মন জানান,তিনি ও তার ভাই গোকর্ণঘাট বাজারে ‘বিজয় মেডিক্যাল ফার্মেসি’নামে একটি ওষুধের দোকান যৌথভাবে পরিচালনা করতেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে দোকান বন্ধ করে তিনি শহরে চলে আসেন। পরে রাতে পুলিশের ফোন পেয়ে হাসপাতালে এসে জানতে পারেন,সড়ক দুর্ঘটনায় তার ভাই বিজয় মারা গেছেন। এ কথা বলতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,বেপরোয়া গতির একটি অটোরিকশার ধাক্কায় ওই ওষুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।



banner close
banner close