নীলফামারীর জলঢাকায় চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ,ভোগান্তিতে এতিমখানা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও কয়েকটি পরিবার।
নীলফামারীর জলঢাকায় একটি এতিমখানা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও কয়েকটি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসন রাস্তা খুলে দিলেও পরে আবারও পথটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও কয়েকটি পরিবার।
জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম এলাকার এই পথ দিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করতেন একটি এতিমখানা মাদ্রাসার ২৫ শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা। তবে সম্প্রতি রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ ওঠে একই এলাকার আব্দুল হামিদের পরিবারের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত চলাচলের পথ নিজেদের জমি দাবি করে বন্ধ করে দেয় অভিযুক্তরা। প্রশাসন একবার রাস্তা খুলে দিলেও পরে আবার তা বন্ধ করা হয়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় কয়েকটি পরিবারের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিবাদ করতে গিয়ে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতার স্বজনরা মারধরের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, বিরোধপূর্ণ জায়গাটি তাদের ক্রয়কৃত জমি। হযরত আলীসহ কয়েকটি পরিবার দীর্ঘদিন রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করলেও জমির মালিকানা তাদের। আচরণগত সমস্যার কারণেই রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। তবে পরিবারের কেউ কেউ বিষয়টি সমাধানের পক্ষেও নন।
এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করার অধিকার কারও নেই। বিষয়টি সমাধানে দ্রুত রাস্তা খুলে দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং উভয় পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:








