সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের কালিবাড়ি পলাশডাঙ্গা গ্রামে দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ঘর নির্মাণের অভিযোগে প্রায় ৩০টি পরিবার কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। একই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলো সূত্রে জানা যায়, তারা আব্দুল মজিদের কাছ থেকে জমি কিনে বসতবাড়ি নির্মাণ করেন। জমি বিক্রির সময় চলাচলের জন্য একটি নির্দিষ্ট রাস্তা অক্ষুণ্ণ ছিল। পরবর্তীতে সেই রাস্তা বন্ধ করে সেখানে ঘর নির্মাণ করা হয়, যার ফলে পরিবারগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
বাসিন্দারা জানান, বর্তমানে তারা একটি সরু বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, যেখানে সাইকেল নিয়েও চলাচল করা কঠিন। ওই বিকল্প পথের সীমানা ঘেঁষেও ঘর নির্মাণ করায় চলাচলের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য জহুরুল ইসলাম জানান, প্রধান রাস্তা বন্ধ থাকায় অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া বা কোনো যানবাহন ওই এলাকায় প্রবেশ করানো সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয় বাসিন্দা হালিমা বেগম জানান, পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক যে কেউ মারা গেলে মরদেহ বাইরে বের করার মতো পর্যাপ্ত রাস্তাও অবশিষ্ট নেই। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে আব্দুল মজিদের ছেলে ও ভাতিজারা হুমকি দেয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ইসমাইল হোসেন জানান, বিষয়টি সমাধানে তিনি কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েছেন, তবে কোনো স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, বিরোধপূর্ণ জমিটি সরকারি খাস শ্রেণিভুক্ত হতে পারে।
এর আগে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশ অনুষ্ঠিত হলেও কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
অভিযুক্ত আব্দুল মজিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং স্থায়ীভাবে চলাচলের রাস্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:








