বুধবার

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

সর্বশেষ
জীবনে প্রশান্তি পেতে মুমিনের যেসব অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি জামায়াত সেক্রেটারিকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা সফল হবে না: এহসানুল মাহবুব জুবায়ের মুক্তিযোদ্ধা সনদের বিনিময়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে স্বাক্ষী দিয়েছেন পশারী; দাবি তার ভাইয়ের সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিমানবন্দরসহ চার স্থানে হামলা; দাবি হুতিদের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে নতুন বার্তা মোজতবা খামেনির কুষ্টিয়ায় জামায়াতের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ত্রিদেশীয় সিরিজে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা, বাদ ইংল্যান্ড বাড়িতে গুদাম দেখিয়ে সারের ডিলারশিপ পেলেন যুবলীগ নেতা নজরুল

ঈদেও স্বজনহীন ফেনীর এতিম শিশুরা

ফেনী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৯ মে, ২০২৬ ১৭:৩৫

আপডেট: ৩১ মে, ২০২৬ ১৭:৩১

শেয়ার

ঈদেও স্বজনহীন ফেনীর এতিম শিশুরা
ছবি সংগৃহীত

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের উত্তর লালপুর এলাকায় অবস্থিত আমিনউল্লাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় কোরবানির ঈদও কাটছে মা-বাবাহীন শিশুদের নীরব বেদনায়।

অন্য শিশুরা যখন পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেয়, তখন এই প্রতিষ্ঠানের এতিম শিশুরা আপনজনের অনুপস্থিতির শূন্যতা নিয়ে দিন পার করে। নতুন পোশাক পেলেও পরিবারের উষ্ণতার অভাব তাদের ঈদকে করে তোলে ভিন্নমাত্রার।

২০১২ সালে সবুজ নামের এক দানশীল ব্যক্তির জমি দানের মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এখানে নূরানি বিভাগ, হেফজখানা এবং পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

মাদ্রাসার সহকারী মাওলানা ইসহাক জানান, এতিম শিশুদের মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে শিক্ষকেরা তাদের গোসল করানো, পাশে বসে খাওয়ানো এবং অসুস্থ হলে রাত জেগে সেবা করার মতো কাজ করে থাকেন। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের স্নেহই এখন এই শিশুদের কাছে অভিভাবকের মমতার বিকল্প হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও জানান, প্রতিদিন তিন বেলা রান্নার ব্যবস্থা থাকলেও সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতায় সবসময় মাছ বা মাংস দেওয়া সম্ভব হয় না। ডাল, ভাত ও সবজি দিয়েই অধিকাংশ দিন কাটে। তবু শিশুরা যা পায় তাতেই তৃপ্তি নিয়ে খায়।

মাওলানা ইসহাক জানান, কোরবানির ঈদে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা দান করলে শিশুদের জন্য উন্নত খাবারের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়। অন্যথায় মাদ্রাসার নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ মেটানো হয়। শিশুদের থাকার উপযুক্ত ঘর এবং গোসলের জন্য একটি পুকুরের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিষ্ঠানের একজন এতিম শিশু জানায়, তার বাবা নেই, মা আছেন। ঈদে শিক্ষকেরা নতুন পোশাক দেন, যা তাকে আনন্দিত করে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, সমাজের দানশীল ও বিত্তবান মানুষদের সহযোগিতা পেলে এই শিশুদের জীবনমান উন্নত করা এবং তাদের জন্য সুষম খাদ্য ও উপযুক্ত আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব।