রাজধানীর নদ্দা এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। ইসলাম পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রোড ডিভাইডার ভেঙে বিপরীত লেনে থাকা আকাশ পরিবহনের একটি বাসে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
নিহতরা হলেন লাইজু বেগম (৩৮), তার স্বামী মো. কবির জমাদ্দার (৪৭), খুশি বেগম (৩৫) ও মো. রবিউল (২২)। নিহতদের মধ্যে তিনজনের বাড়ি বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় এবং রবিউলের বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায়।
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক নেসার উদ্দিন জানান, বুধবার সকাল ৬টার দিকে পটুয়াখালী থেকে ঢাকাগামী ইসলাম পরিবহনের বাসটি নদ্দা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারায়। বাসটি রোড ডিভাইডারের ওপর উঠে বিপরীত লেনে চলে যায় এবং কুড়িল থেকে সদরঘাটগামী আকাশ পরিবহনের একটি বাসকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
তিনি জানান, ঘটনাস্থলেই একজন যাত্রীর মৃত্যু হয়। পরে কুর্মিটোলা হাসপাতালে আরও তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। আহতদের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইসলাম পরিবহনের বাসটি পটুয়াখালী থেকে আসার পুরো পথেই বেপরোয়া গতিতে চলছিল। যাত্রীরা চালকের আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। দুর্ঘটনার পর বাসটির চালক ও তার সহকারী পালিয়ে যান।
দুর্ঘটনার কারণে নদ্দা এলাকায় সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং রেকার দিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পলাতক চালক ও সহকারীকে আটকের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন:

.jpg)






