সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রাজধানীর পান্থপথে সামুরাই কনভেনশন সেন্টারে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জায়গাতে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে)। সকাল সাড়ে ৭টায় 'মুসলিম উম্মাহ বাংলাদেশ'-এর আয়োজনে জামাতে আদায় করা হয় ঈদের নামাজ। এতে অংশ নেন কয়েকশ মুসল্লি।
এদিকে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে মৌলভীবাজারে পবিত্র ঈদুল আজহার একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এই রেওয়াজ মেনে আগাম ঈদ উদযাপন করে আসছেন স্থানীয় কিছু মানুষ। সকাল সাড়ে ৭টায় শহরের সার্কিট হাউস এলাকায় এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার শতাধিক নারী ও পুরুষ মুসল্লি অংশ নেন। ঈদের জামাতের ইমামতি করেন আবদুল মাওফিক চৌধুরী। জামাত শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এ ছাড়াও পটুয়াখালীতে ৩৫টি গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ পবিত্র ঈদুল আজহা পালন করছে। আবার বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে সাড়ে ৭ টার দিকে গাবতলী রেলস্টেশন সংলগ্ন রেলওয়ে জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।,
জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মিজানুর রহমান। নারী ও শিশু মুসল্লিরাও এতে অংশ নেন। মুসল্লিদের সাথে কথা বলে জানা যায় এ জামাতে গাবতলীসহ কাহালু ও ধনুট উপজেলা থেকেও কিছু সংখ্যক মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করেন। বৈরী আবহওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ের কিছু পর নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এবারে জামাত খোলা মাঠের অনুষ্ঠিত না হয়ে মসজিদের ভেতরে অর্ধশত মুসল্লি নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকরা জানান, আবহাওয়া কারণে অনেকে এবারে জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারেননি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাবতলীতে এটি ছিল ৪র্থ বারের মতো আগাম ঈদ উদযাপন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
আয়োজকদের দাবি, বিশ্বের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সে অনুযায়ী রোজা ও ঈদ পালন করা উচিত। সেই বিশ্বাস থেকেই তারা সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছেন।
এদিকে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। গাবতলী মডেল থানার ওসি রাকিব হোসেন জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত সম্পন্ন হয়েছে।,
আরও পড়ুন:

.jpg)






