ঈদুল আজহার যাত্রায় পদ্মা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৪৪ হাজার ৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে উভয় প্রান্ত মিলিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা। বড় ধরনের যানজট ছাড়াই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন বলে সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
পদ্মা সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদ জানান, মাওয়া প্রান্ত দিয়ে ২৮ হাজার ৪১৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৪ লাখ ২১ হাজার টাকা। জাজিরা প্রান্ত দিয়ে পারাপার হয়েছে ১৫ হাজার ৫৯৩টি যানবাহন এবং সেখানে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫০ টাকা।
বর্তমানে মোটরসাইকেলের জন্য তিনটি পৃথক লেনসহ মোট ১০টি লেনে টোল আদায় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি তিন সেকেন্ডে ১০টি যানবাহন টোল দিয়ে সেতু অতিক্রম করছে।
যানজট নিরসনে পদ্মা সেতু উত্তর থানার সামনে বিশেষ বাস বে নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে একসঙ্গে ১০ থেকে ১৫টি বাস অবস্থান করতে পারে। এতে টোল প্লাজার প্রবেশমুখে যানবাহনের বিশৃঙ্খলা ও দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে না বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে এক্সপ্রেসওয়েতে পুলিশের নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। সকাল থেকেই যাত্রীবাহী বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও পণ্যবাহী যানের চাপ থাকলেও কোথাও যানজট পরিলক্ষিত হয়নি।
যাত্রীরা জানান, সমন্বিত ব্যবস্থাপনার কারণে এবার পদ্মা সেতু পার হতে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন সেখ জানান, এবারের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মাওয়া টোল প্লাজার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, টোল প্লাজায় দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হওয়ায় যাত্রীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সেতু কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তৎপরতা অব্যাহত থাকলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য ঈদযাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক হবে।
আরও পড়ুন:








