মাত্র ১২০ টাকা খরচ করে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরী পেল ২১ জন তরুণ-তরুণী। চুয়াডাঙ্গায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি)পদে নিয়োগ কার্যক্রমে শতভাগ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছেন জেলার ২০জন তরুন ও ১জন তরুনীসহ মোট ২১জন। নিয়োগের সকল প্রক্রিয়া শতভাগ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হয়েছে।
ইতোপূর্বে নিয়োগ সংক্রান্তে জেলা পুলিশ, চুয়াডাঙ্গার পক্ষ থেকে স্থানীয় ডিস চ্যানেল/পত্রিকা/মাইকিং ও ফেসবুকে প্রকাশের মাধ্যমে চাকরী প্রত্যাশীদের বারবার সচেতন করা হয়। নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান চাকুরী প্রত্যাশীদের প্রতারক/দালালদের শরণাপন্ন না হওয়ার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের চাকরি প্রাপ্তির সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারি ফি বাবদ খরচ হয়েছে মাত্র ১২০ টাকা।
চুয়াডাঙ্গা জেলায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে গত ১৮ এপ্রিল সকাল ৮ টা থেকে নিয়োগ কমিটি ১ম ধাপে চাকুরী প্রার্থীদের মধ্য থেকে Physical Endurance Test (PET) কাগজপত্র যাচাই-বাছাই, শারীরিক মাপ, শারীরিক সক্ষমতা ও আনুষঙ্গিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গত ৪ মে লিখিত পরীক্ষায় সর্বমোট ২৩৯জন চাকরি প্রত্যাশী তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করে।
রবিবার (১৭ মে) সকাল ১০ টায় পুলিশ লাইন্সে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় ৪৩জন পুরুষ ও ১জন নারী প্রার্থীসহ মোট ৪৪জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে ২০জন পুরুষ ও ১ জন নারী প্রার্থী নিয়োগ বোর্ড কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়।
নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ২১জন তরুণ-তরুণীদের জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও বাংলাদেশ পুলিশে স্বাগত জানান।
এ সময় তিনি বলেন, দেশপ্রেম ও সততা বজায় রেখে প্রত্যেককে কর্তব্যে নিয়োজিত হয়ে মানুষের সেবায় দ্বায়িত্ব পালন করতে হবে। জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে হবে। কোন অর্থ বা সুপারিশে নয়, মেধা ও যোগ্যতায় ২১ জন মেধাবী মুখ আজ পুলিশ বাহিনীতে নিয়োজিত হলো। এরা সবাই ভবিষ্যতে পুলিশ বাহিনীর মুখ উজ্জ্বল করবে।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে রবিবার ( ১৭ মে) সন্ধ্যা ৬ টায় নতুন চাকরি পাওয়া এই তরুণ-তরুণীদের পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি পুলিশ মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান।
নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে নিজ মেধা ও যোগ্যতায় বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য হওয়ার জন্য নির্বাচিত হতে পেরে চুড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ তরুণ- তরুণীরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়েন।
চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আতিকুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), মেহেরপুর; মোঃ মোসফেকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
আরও পড়ুন:








