সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে রবিবার বিকেলে পশুর হাটের টেন্ডারে অংশ নিতে আসা এক ইজারাদারকে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গণপিটুনি দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত সোহেল মোল্লাকে (৫০) সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিকেল তিনটার দিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে অস্থায়ী পশুর হাটের উন্মুক্ত ডাকে অংশ নিতে ইউএনও কার্যালয়ে প্রবেশ করেন দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও এনায়েতপুর থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সোহেল মোল্লা। কার্যালয়ের তৃতীয় তলার হলরুমে অবস্থানকালে একদল লোক তাঁর ওপর হামলা চালায় এবং মারতে মারতে নিচতলায় নামিয়ে আনে।
আহত সোহেল মোল্লা জানান, ইজারায় অংশ না নেওয়ার জন্য বেলকুচি বিএনপির নেতারা আগে থেকেই তাঁকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তাঁর অভিযোগ, বেলকুচি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রহিস ব্যাপারী, দৌলতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাকিম এবং এনায়েতপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম সোহাগের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী এই হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব বনী আমিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম আজম এবং বেলকুচি পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হাজীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
খবর পেয়ে বেলকুচি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জাফর জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সময় হামলাকারীদের কাউকে পাওয়া যায়নি। আহত ব্যক্তি অভিযোগ দাখিল করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বৈঠকে থাকায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি জানান, হামলার বিষয়ে অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:








